‘স্টার্টআপে ভুল হবেই, ভুল থেকেই শিক্ষা নিতে হবে’
সাধারণত কোনো সমস্যাকে সমাধানের লক্ষ্যে উদ্ভাবনী সব ধারণা প্রয়োগ করে নিত্যনতুন স্টার্টআপ তৈরি হচ্ছে।তারুণ্যনির্ভর এইসব উদ্যোগের প্রাণ হলো কর্মচাঞ্চল্য আর অদম্য মনোভাব। দেশের স্টার্টআপ ও তরুণদের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) এর অধীনে আইডিয়া প্রকল্প আয়োজন করছে "বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্ট ২০২০"।
আয়োজনে আগ্রহী উদ্যোক্তাদেরকে প্রস্তুত করতে "গো টু মার্কেট এন্ড স্কেল’ বিষয়ক ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) ওয়ার্কশপে মূল প্রবন্ধ তুলে ধরেন উদ্যোক্তা ও এসবিকে টেক ভেঞ্চারের প্রতিষ্ঠাতা সোনিয়া বশির কবির।
কিভাবে গ্রাহকদের সেবা ও পণ্যের বিষয়ে আগ্রহী করে তুলতে হয়, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বাজারে কিভাবে টিকে থাকতে হয় ও করণীয় এবং প্রবৃদ্ধি অর্জন করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এই ওয়ার্কশপে।
ওয়ার্কশপে স্টার্টআপ নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে সোনিয়া বশির কবির জানান, প্রথমে সমস্যা পরে সমাধান। সমস্যা আগে খুঁজে তারপর সেটা নিয়ে রিসার্চ করবেন। চিন্তা করে নেমে পড়লেই হবেনা। মার্কেটে ডিমান্ড কেমন, কাকে টার্গেট করবেন এ সকল বিষয় নিয়ে আপনাকে রিসার্চ করতে হবে। সবার সমস্যা সমাধান করবে এমন কিছু তৈরি করুন। মনে রাখবেন নিস মার্কেটে তত বেশি ডিমান্ড নাই। যত ডিমান্ড তত আপনার সফল হওয়ার সম্ভবনাও বেশি।
স্টার্টআপে ভুল হবেই, ভুল থেকেই শিক্ষা নিতে হবে জানিয়ে সোনিয়া বশির কবির জানান, মাইক্রোসফট এত বড় সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান তারা এখনো ভুল করে। ভুল করাটা ভুল না, ভুল হবেই। তবে মনে রাখতে হবে একই ভুল যেন বার বার না হয়।
স্টার্টআপদের জন্য সমস্যা যেমন রয়েছে তেমনি চ্যালেঞ্জও রয়েছে। এখন মার্কেটে অনেক প্রতিযোগিতা। সরকার স্টার্টআপদের অর্থ ও অফিস দিয়ে সহযোগিতা করছে। যা আমাদের সময় ছিল না। তাই আমি বলবো স্টার্টআপদের জন্য বাংলাদেশ রেডি এমনটাই জানলেন সোনিয়া বশির কবির।
ওয়ার্কশপের আরো উপস্থিত ছিলেন, আইডিয়া প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ মজিবুল হক। কমিউনিকেশনস্ বিষয়ক পরামর্শক সোহাগ চন্দ্র দাস।
“বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্ট (বিগ)”এর ফাইনালে শীর্ষ একটি স্টার্টআপ পাবে ১ লক্ষ ইউএস ডলার এবং বাকী ৩৫টি স্টার্টআপের প্রত্যেকে পাবেন ১০ লক্ষ টাকা করে অনুদান।